
প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি এড়াতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার দাবি, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এতদিন কম থাকায় পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের দামের তুলনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতে বিশেষ করে কলকাতায় ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৩৪ টাকা ৭৬ পয়সা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা ৮৩ পয়সা, নেপালে ১৬১ টাকা ২৪ পয়সা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা, থাইল্যান্ডে ১৫১ টাকা ২২ পয়সা, পাকিস্তানে ১৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪ টাকা ৭৯ পয়সা।
তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলে একমাত্র আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশেই জ্বালানি তেলের মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। এর ফলে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার বড় ঝুঁকির মুখে আমরা পড়েছিলাম।’
এ কারণে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করেছে জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার স্বার্থে এবং প্রবাসী ভাইদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি তেল যেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হয়ে যেতে না পারে, সে কারণে সরকারকে এই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।’
জ্বালানি তেলের দাম কমছে না কেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা তো আসলে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধানের সূত্র যাদের হাতে আছে, তাদের কাছে প্রশ্ন করলে তারা এর উত্তর দিতে পারবেন।’
এর আগে রোববার রাতে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায়।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…