আলু ভালো থাকার সময় বাজারজাত করা হলে অন্য জেলা থেকে আলু সংগ্রহের প্রয়োজন কম হতো বলে জানান পুরানবাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, যে পরিমাণ আলু নষ্ট হয়েছে, তা দিয়েই একটি মৌসুম চলত।
মাদারীপুর জেলার কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া বলেন, হিমাগারের মালিক ব্যক্তিগতভাবে এসব আলু সংরক্ষণ করেছেন। আলু নষ্ট হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। পচে যাওয়া আলু বিনা মূল্যে বিতরণের কারণে খোলাবাজারে কোনো প্রভাব পড়েছে বলে তাঁর জানা নেই। স্থানীয় বাজারগুলোতে আলুর সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।