কেন ধরা পড়ছে না ‘সন্ত্রাসী’ রায়হান, যা বলল র‌্যাব

হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র আইনের ১৫টি মামলার আসামি রায়হান। বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি করে আসছেন তিনি। আবার চাঁদা না পেলে গুলিও করছেন তাঁর সহযোগীরা। বিদেশি পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী এই রায়হান। তবে সম্প্রতি তাঁর নাম ব্যবহার করে কিছু ‘ছিঁচকে সন্ত্রাসী’ চাঁদা দাবি করছেন বলে অভিযোগ রায়হানের।

র‍্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং স্থানীয় পাহাড়ি এলাকার পথঘাট চেনা থাকায় নিজের অবস্থান গোপন রাখতে পারছেন এই সন্ত্রাসী। প্রযুক্তিগত ও ভৌগোলিক কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও রায়হানের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য এসেছিল, সে সমতলে এসেছে। কিন্তু আমরা পৌঁছানোর আগেই সে স্থান পরিবর্তন করে ফেলে। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে তাঁকে ধরতে একটি আলাদা বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে, যারা সার্বক্ষণিক এই কেস নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাও যৌথভাবে মাঠে রয়েছে।’

অপরাধীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়ে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায়হানসহ তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন র‍্যাব-৭-এর এই কর্মকর্তা।

Scroll to Top