
মানুষের দুর্বলতা কোথায়; তা বুঝতে পারাই প্রতারকদের সবচেয়ে বড় দক্ষতা। কারও কাছে তারা ‘জিনের বাদশাহ’, কারও কাছে ‘কবিরাজ’; আবার কারও ফোনের ওপাশে নিজেদের পরিচয় দেয় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তা হিসেবে। পরিচয় বদলায়, বদলায় গল্পও। কিন্তু প্রতারণার ছক প্রায় একই: প্রথমে বিশ্বাস তৈরি, এরপর ভয় কিংবা লোভ দেখানো, সবশেষে টাকা আদায়।
সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় এই কৌশলের ভয়াবহতা নতুন করে সামনে এসেছে। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দুর্বলতা খুঁজে বের করা হচ্ছে। কখনো অলৌকিক ক্ষমতার গল্প শুনিয়ে তৈরি করা হচ্ছে অন্ধ বিশ্বাস। আবার কখনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে মামলা, গ্রেপ্তার কিংবা তদন্তের ভয় দেখিয়ে মুহূর্তেই ভুক্তভোগীকে মানসিকভাবে দুর্বল করে ফেলা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতারণার মূল অস্ত্র কোনো বিশেষ প্রযুক্তি নয়; মানুষের ভয়, লোভ, অসহায়ত্ব ও বিশ্বাস। অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কথায় তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বাস না করাই পারে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে।
ইমোর ‘কবিরাজ’, মাটির নিচে ৬৪ লাখের স্বর্ণ
২০২৬ সালের মার্চে শেরপুরে অষ্টম শ্রেণির ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবা-মায়ের কাছ থেকে আরও ভালোবাসা পাওয়ার উপায় খুঁজতে গিয়ে ‘খুরশেদ কবিরাজ’ পরিচয়ধারী একটি প্রতারক চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর তদন্তে জানা যায়, চক্রটি ‘কবিরাজ’ ও ‘আল্লাহর দান’ নামে ইমো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। প্রথমে তার ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে তৈরি করা হয় বিশ্বাস। এরপর বিভিন্ন অজুহাতে বিকাশে নেওয়া হয় ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫০ টাকা।
সেখানেই শেষ নয়। ঝাড়ফুঁকের কথা বলে নেওয়া হয় সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ টাকা।
ঘটনাটি সামনে আসে আরও টাকা পাঠাতে গেলে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দোকানদারের সন্দেহ হয়। কিশোরীর বয়স কম হওয়ায় তিনি তার বাবাকে ফোন করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, এতদিন ধরে মেয়েটি একটি প্রতারক চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল।
তদন্তে পিবিআই জামালপুর ইউনিট তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূলহোতা হিসেবে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ির পাশের বাগানের মাটি খুঁড়ে ২৫ ভরি নয় আনা চার রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পিবিআইয়ের হিসাবে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ টাকা।
পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটিন সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক: তদন্তে ‘খুরশেদ কবিরাজ’ নামে কোনো প্রকৃত ব্যক্তির অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ একজন কাল্পনিক ‘কবিরাজ’কে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছিল বিশ্বাসের একটি চরিত্র, আর সেই চরিত্রের আড়ালেই চলছিল অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার কারবার।
‘জিনের বাদশাহ’: লোভের পর ভয়
‘কবিরাজ’ পরিচয়ের মতোই দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে আরেকটি পরিচয়: ‘জিনের বাদশাহ’।
২০২২ সালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গাইবান্ধা থেকে এমন একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তে উঠে আসে, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও স্থানীয় ক্যাবল চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা রোগ নিরাময়, বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থা, দাম্পত্য সমস্যা দূর করা, চাকরিতে পদোন্নতি, কম দামে স্বর্ণ এবং জিন তাড়ানোর মতো নানা প্রলোভন দেখাত।
প্রথম ধাপে ছিল লোভ। কেউ চাকরি চান, কেউ বিদেশ যেতে চান, কেউ পারিবারিক সমস্যার সমাধান চান; প্রতারকরা সমস্যার ধরন অনুযায়ী গল্প বদলে নিত।
এরপর শুরু হতো দ্বিতীয় ধাপ: ভয়। মধ্যরাতে ফোন করে বলা হতো, টাকা না দিলে পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যু হতে পারে। আবার কাউকে বলা হতো, ‘জিনের বাদশাহ’কে টাকা দিলে ভবিষ্যতে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব।
সিআইডির তথ্যমতে, ওই চক্র ছয় মাসে শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছিল।
আরেক ঘটনায় পাবনার এক গৃহবধূকে তার প্রবাসী স্বামীর মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে টাকা চাওয়া হয়। আতঙ্কিত ওই নারী নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার মিলিয়ে হারান সাড়ে ৬ লাখ টাকা।
সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, এখানে প্রতারকের কোনো অলৌকিক ক্ষমতা ছিল না। ছিল মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন দুটি দুর্বলতা: প্রিয়জনকে হারানোর ভয় এবং দ্রুত বড় কিছু পাওয়ার লোভ।
সম্প্রতি এমন একজন কবিরাজ দেলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এই প্রতিবেদক। যিনি কথিত জিনের বাদশাহ হাজির করে মানুষের উপকার করে থাকেন বলে দাবি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার অসংখ্য ভিডিও যেখানে ঝাড়ফুঁক নিতে দেখা যাচ্ছে। কম দামে স্বর্ণ কেনা নিয়ে তিনি উত্তর বাড্ডার ফরিদের কাছ থেকে প্রায় লাখ খানেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এমন অভিযোগে দেলোয়ার বলেন, ‘আমি কামেল পীর, কারো কাছ থেকে টাকা নেই না। হুজুরের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করি।’
বিকাশে টাকা দেওয়ার প্রমাণ হাতে আছে (স্ক্রিন শট) এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো বিকাশ নাম্বার নেই। কিছু দুষ্টু লোক আমার ছবি ভিডিও ব্যবহার করে বিকাশ নাম্বারে টাকা নেয়। মানুষ কেন তাদের টাকা দেয় আমিও বুঝি না।’
প্রতিবেদক ভুক্তভোগী ফরিদকে সঙ্গে রেখেই কথিত জিনের বাদশাহ’র কবিরাজের সাথে যোগাযোগ করে। ভুক্তভোগী নিশ্চিত করেন এই ব্যক্তির সঙ্গেই তার দেন দরবার হয়েছে। একটু পর তারেকের মোবাইলে ভিন্ন একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। সেই কবিরাজ তুই সম্ভোধন করে তারেককে বলেন, ‘সাংবাদিক দিয়ে ফোন করাস, হুজুর তোদের ওপর রেগে গেছেন, তোরা ধ্বংস হয়ে যাবি’।
ওই কবিরাজের সাথে আলাপ চালু রাখতে তারেক বলেন, ‘ভুল হয়ে গেছে। আমার কোন ক্ষতি কইরেন না। কী করতে হবে বলেন? কবিরাজ জানান, ‘দ্রুত ২০ হাজার টাকা বিকাশে দে, হুজুরের মিষ্টি খেতে ইচ্ছ করছে’।
‘দুদকের কর্মকর্তা’: ভয়ের নতুন পোশাক
প্রতারণার এই কৌশল যখন সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের সঙ্গে মিশে যায়, তখন সেটি আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
২০২৫ সালের জুনে দুদক জানায়, কমিশনের চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক বা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে অর্থ আদায়কারী একটি চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনাটি সামনে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুদক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগসংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশের পর। বিষয়টি অনুসন্ধান করতে গিয়ে দুদক, পুলিশ ও র্যাবের সহযোগিতায় ঢাকার মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ধরনের প্রতারণায় ‘জিনের বাদশাহ’ কিংবা ‘কবিরাজ’-এর মতো রহস্যময় গল্পের প্রয়োজন হয় না। এখানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামই যথেষ্ট।
ফোনের ওপাশ থেকে বলা হয়: আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, মামলা হতে পারে, তদন্ত চলছে কিংবা গ্রেপ্তার হতে পারেন। এরপর আসে সমাধানের প্রস্তাব: টাকা দিলে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করা যাবে।
২০১৯ সালের একটি ঘটনাতেও দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনার ও কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রায় ৫০০ সরকারি কর্মকর্তাকে ভুয়া দুর্নীতির মামলার ভয় দেখিয়ে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছিল।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা নিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে।
সরলতা ও লোভকে পুঁজি করেই প্রতারণার ফাঁদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফাতেমা রেজিনা ইকবাল চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমাদের সমাজের মানুষের মধ্যে সরল বিশ্বাসের প্রবণতা রয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বা লোভও প্রতারকদের সুযোগ তৈরি করে দেয়।’
‘‘প্রতারকরা মানুষের এই দুর্বলতাগুলো বুঝে নির্দিষ্ট কৌশলে কথা বলে। কখন ভয় দেখাতে হবে, কখন প্রলোভন দিতে হবে কিংবা কীভাবে বিশ্বাস অর্জন করতে হবে; এসব তারা ভালোভাবেই জানে। ফলে অনেকেই যাচাই-বাছাইয়ের আগেই প্রতারকদের কথায় প্রভাবিত হয়ে পড়েন।’’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রতারণায় নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ, বিশেষ করে নারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। উচ্চবিত্তদের কাছেও প্রতারণামূলক ফোন গেলে অনেকেই সচেতনতা ও অভিজ্ঞতার কারণে দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পারেন। তরুণদের ক্ষেত্রেও প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতার কারণে একই কৌশল সবসময় কার্যকর হয় না।’
তার মতে, লোভ ও সরল বিশ্বাস; এই দুটি বিষয়কে কাজে লাগিয়েই প্রতারকরা মানুষের ওপর প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।
চোখের দেখাও যখন ধোঁকা, ডিপফেক ঠেকাতে চাই যাচাই
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেটর ও সাইবার ক্যানিয়ন আরিফ মঈনুদ্দীন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য, ছবি, ভিডিও বা বার্তা দেখামাত্রই বিশ্বাস করা কিংবা যাচাই না করে শেয়ার করা যাবে না। কারণ সেটি সত্য তথ্যের পাশাপাশি গুজব, মিসইনফরমেশন কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ডিসইনফরমেশনও হতে পারে।
বিশেষ করে ডিপফেক প্রযুক্তির কারণে এখন ছবি ও ভিডিও দেখেও সবসময় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয় যে সেটি আসল। কৃত্রিমভাবে তৈরি বা পরিবর্তিত ভিডিওকে অনেক সময় এতটাই বাস্তবসম্মত করা হচ্ছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা কঠিন। তাই সন্দেহজনক কোনো ভিডিও বা তথ্য দেখলে উৎস যাচাই করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে অনলাইনভিত্তিক যাচাই বা ডিপফেক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে।’’
ভুক্তভোগীদের দ্রুত প্রতিকার দিতে হবে
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘‘প্রযুক্তিগত অপরাধকে এখন আর প্রচলিত অপরাধের মতো দেখার সুযোগ নেই। অপরাধীরা যেভাবে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তার চেয়েও দ্রুত গতিতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। দক্ষ জনবল তৈরি, আধুনিক প্রযুক্তি ও ফরেনসিক ল্যাবের সক্ষমতা বাড়ানো, আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত প্রতিকার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অপরাধও এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, যেখানে প্রচলিত তদন্ত ও আইন প্রয়োগের কাঠামো দিয়ে তা মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে।’’
অপরাধের পর নয়, আগেই প্রতিরোধ
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ রাজ্জাক চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। অপরাধীরা নতুন নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও সক্ষম হতে হবে এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগাম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
‘‘এখনই যদি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা না হয়, তাহলে এ ধরনের অপরাধ আরও ছড়িয়ে পড়বে এবং মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হবে। তাই সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিষয়টির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।’’
প্রতিবেদক
আরেফিন তানজীব
Facebook Profile
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…