
ছবি: সংগৃহীত
কয়েক বছরের মধ্যেই বৈশ্বিক তাপমাত্রা শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গুরুত্বপূর্ণ সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইপি। এতে চরম আবহাওয়া আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি হিমবাহ, প্রতিবেশব্যবস্থা ও নিচু উপকূলীয় শহরগুলোতে ঝুঁকি বাড়বে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত ইউএনইপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রির নিচে ফিরিয়ে আনা এখনো সম্ভব হলেও তা অত্যন্ত অনিশ্চিত। এ জন্য দ্রুত ও বড় পরিসরে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে জমে থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করতে হবে।
২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমিত রাখার চেষ্টা করার বিষয়ে দেশগুলো সম্মত হয়েছিল। কিন্তু ইউএনইপির হিসাবে এই সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া এখন অত্যন্ত সম্ভাব্য। তাই তাপমাত্রা কতটা বাড়বে তার পাশাপাশি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রির ওপরে কতদিন থাকবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রতিটি বছরের বিলম্ব এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রতিটি ভগ্নাংশ ঝুঁকি বাড়াবে। পরে তাপমাত্রা কমে এলেও কিছু ক্ষতি স্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
ইউএনইপির হিসাবে, দেশগুলো তাদের বর্তমান জলবায়ু প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলেও সবচেয়ে আশাবাদী পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। বর্তমান নীতি অব্যাহত থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে তা প্রায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণে নতুন বন সৃষ্টি করাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ইউএনইপি বলেছে, কার্বন অপসারণ কোনোভাবেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বিকল্প নয়। উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিঃসরণ দ্রুত কমানোর পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে জমে থাকা কার্বন অপসারণও করতে হবে।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…