প্রশাসনে দলীয় নিয়োগ নিয়ে আলোচনা, পরিচয় নাকি যোগ্যতা—কোনটি বড়

আলোচনায় অংশ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক কামাল আহমেদও দলীয় নিয়োগের বিষয়ে কথা বলেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলীয় লোক নিয়োগ দিন, তবে যোগ্য লোক নিয়োগ দিন। সবার আগে বাংলাদেশ—শুধু বিএনপিকে নিয়ে নয়, সবাইকে নিয়েই ভাবতে হবে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে দলের মধ্যকার সংস্কৃতি আগে বদলাতে হবে উল্লেখ করে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, সেটি না হলে সরকারের সংস্কৃতিও বদলানো যাবে না। নেতা–কর্মীদের সেই সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত করতে হবে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের সরকারের সঙ্গে যৌক্তিক সহযোগিতার সম্পর্ক থাকবে। জাতীয় পার্টির মতো বিরোধী দল তৈরি হলে গণতন্ত্র কার্যকর হবে না।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে গঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন কামাল আহমেদ। বর্তমান সরকারকে সেই কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশেও সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে বিভিন্ন পদে পরিবর্তন আসে বলে উল্লেখ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন আই খান। তাঁর মত, দলীয় মানুষ পেশাদারভাবে দায়িত্ব পালন করলে সেই নিয়োগে কোনো সমস্যা নেই।

দলীয়করণ প্রসঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, দলীয় পরিচয় থাকা কোনো অন্যায় নয়। সেই ব্যক্তির আচরণটা দলীয় হচ্ছে কি না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। যোগ্য লোক নিয়োগ দেওয়ার দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কে যোগ্য, কে অযোগ্য—সেটার জন্য তিনটা তদন্ত কমিটি করতে হবে। জনগণ যে গুণগত পরিবর্তন চায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেটা শুরু করেছেন—এটুকু আশ্বস্ত করতে পারি।’

Scroll to Top