এল নিনোর প্রভাবে আবারও চাপে পানামা খাল, বাড়ছে পরিবহন খরচ

২. পানামা খালের জন্য এল নিনো কেন গুরুত্বপূর্ণ

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া। এটি একধরনের প্রাকৃতিক চক্র। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার যে এল নিনো শুরু হয়েছে, তার প্রভাবে ২০২৭ সাল হতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ বছর।

প্রশান্ত মহাসাগরের অনেক দূরের অঞ্চলের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও পানামার বৃষ্টির ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে। যে বায়ু পানামায় বৃষ্টি নিয়ে আসে, এল নিনোর কারণে তা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এতে জলাধারগুলোতে পানির সরবরাহ কমে যায়।

নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল ও পরিবেশ প্রকৌশলের সহযোগী অধ্যাপক স্যামুয়েল মুনোজ বলেন, জলাধারের পানির স্তর কমে গেলে পানি সংরক্ষণের জন্য খাল কর্তৃপক্ষ জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হয়। ফলে যে পরিবহন বিঘ্ন তৈরি হয়, তার প্রভাব পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে।

৩. পানির উৎসগুলো ঝুঁকিতে কেন

গত মে মাস থেকে পানামায় রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা যাচ্ছে। স্মিথসোনিয়ান ট্রপিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্কে এ তথ্য উঠে এসেছে। মে, জুন ও জুলাই—তিন মাসেই মাসিক গড় তাপমাত্রা রেকর্ড বা রেকর্ডের কাছাকাছি ছিল।

একই সময়ে পানামার বেশির ভাগ এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্কের প্রধান স্টিভেন প্যাটন। বিশেষ করে খালের আশপাশের কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড বা রেকর্ডের কাছাকাছি পরিমাণ কমে গেছে।

Scroll to Top