বয়স অনুযায়ী একে বেশ কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। জন্মগত স্কলিওসিস সাধারণত জন্মানোর আগেই মেরুদণ্ডের হাড়ের গঠনের ত্রুটির জন্য হতে পারে। এর সঙ্গে স্পাইনা বিফিডা সমস্যাও (শিশুদের মেরুদণ্ডের একটি জন্মগত ত্রুটি) যুক্ত থাকতে পারে। আবার স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি, সেরেব্রাল পালসি, বিভিন্ন ধরনের মাসকুলার ডিসট্রফি,আঘাত, মেরুদণ্ডে টিউমার, এমনকি প্রদাহ ইত্যাদি কারণেও শিশুর স্কলিওসিস হতে পারে।
পরিবেশগত কারণ বা জিনগত প্রবণতার কারণে কিছু অঞ্চলে জন্মগত ত্রুটির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। এ ছাড়া যেসব শিশুর অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি রয়েছে, যেমন হৃৎপিণ্ড বা কিডনিতে সমস্যা, তাদের স্কোলিওসিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।