ইসলামে নিয়তের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১)
তাই সকালবেলা দিনের কাজের জন্য ভালো নিয়ত করা যেতে পারে। ব্যবসা হলে হালাল উপার্জনের নিয়ত, পড়াশোনা হলে উপকারী জ্ঞান অর্জনের নিয়ত, চাকরি হলে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নিয়ত—এভাবে সাধারণ কাজও ইবাদতে পরিণত হতে পারে।
শুধু নিজের জন্য নয়। একজন মুমিন মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ, কারও উপকার করা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের কাজে আসার সংকল্প করতে পারে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)
তাই সকাল শুরু হতে পারে একটি সুন্দর সংকল্প দিয়ে—আজ অন্তত একজন মানুষের উপকার করব এবং কারও অকারণ কষ্টের কারণ হব না।