মাতাল হয়ে গাড়ি চালানোয় শাস্তি ওয়ার্নারের, মানতে হবে আদালতের যে নির্দেশ | চ্যানেল আই অনলাইন

মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল ডেভিড ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে। গত মাসে সে অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কিংবদন্তি। এবার সেই অপরাধে শাস্তি পেলেন। সিডনির একটি আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

শুধু জরিমানাই নয়, এখন থেকে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ওয়ার্নারকে ইন্টারলক ডিভাইস ব্যবহারের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। এই ডিভাইস গাড়ির স্টার্ট নিয়ন্ত্রণ করে এবং চালকের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি শনাক্ত হলে গাড়ি চালু হতে দেয় না।

গত ৫ এপ্রিল সিডনির পূর্বাঞ্চলে একটি রোডসাইড পরীক্ষার জন্য ওয়ার্নারের গাড়ি থামানো হয়। সেখানে অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফল পজিটিভ আসে। পরে মারৌব্রা পুলিশ স্টেশনে তার দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় ৩৯ বছর বয়সী ওয়ার্নারের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া যায় ০.১০৪, যা আইনসিদ্ধ সীমার দ্বিগুণেরও বেশি।

আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইজ আহমেদ জানান, এই ঘটনার কারণে ওয়ার্নার গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারের শিকার হয়েছেন। তাই তাকে অতিরিক্ত শাস্তি না দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি।

ওয়েভারলি লোকাল কোর্টে শুনানির সময় আহমেদ বলেন, ওয়ার্নারের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনা ইএসপিএন, আল জাজিরা, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার দাবি, বিষয়টি ওয়ার্নারের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশে বিভিন্ন টি-টুয়েন্টি লিগে খেলতে গেলে ওয়ার্নার মাতাল অবস্থায় গাড়ি না চালানোর সংস্কৃতি মেনে চলেন বলেও আদালতে উল্লেখ করেন তার আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘এই অপরাধের পরিণতি ওয়ার্নারের জন্য গভীর হতে পারে এবং এর প্রভাব তার বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধার ওপরও পড়তে পারে।’

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ইন্টারলক লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে গাড়িতে নির্ধারিত ডিভাইসটি স্থাপন করার পরই ওয়ার্নার আবার গাড়ি চালাতে পারবেন। ডিভাইসটি তার শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি শনাক্ত করলে গাড়ির ইঞ্জিন স্টার্ট নিতে দেবে না।

Scroll to Top