কারখানা উৎপাদনে ফিরছে, তবে সংকট পুরো কাটেনি

নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম এলাকায় চিনি, গম, ভোজ্যতেল, ডালসহ নিত্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতের শতাধিক কারখানা রয়েছে। গত বুধবার গ্যাস-সংকট তীব্র হলে একে একে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হতে থাকে। শনিবার পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক কারখানা বন্ধ ছিল। তবে গতকাল সকালে সেগুলো উৎপাদনে ফিরতে শুরু করে।

দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) সয়াবিনবীজ মাড়াই করে তেল উৎপাদন, আটা-ময়দা তৈরি ও অন্যান্য নিত্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের কারখানাগুলো বুধবার থেকে গ্যাসের অভাবে একে একে বন্ধ হয়ে যায়। গ্রুপটির ৫৭টি কারখানার মধ্যে ৪০টির উৎপাদন শনিবার বিকেল পর্যন্ত বন্ধ ছিল। গতকাল সকালে গ্যাসের চাপ বাড়তে থাকায় বন্ধ কারখানায় উৎপাদন ধীরে ধীরে শুরু হয় বলে জানিয়েছেন এমজিআইয়ের কর্মকর্তারা।

জানতে চাইলে এমজিআইয়ের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল গতকাল খুদে বার্তার মাধ্যমে জানান, পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে।

আরেক বড় শিল্পগোষ্ঠী টি কে গ্রুপের ২৮টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানার বেশির ভাগের উৎপাদন গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তবে গতকাল উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে। তবে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কিছু কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

Scroll to Top