প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতার দুজন প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাছাইয়ে এবার সম্ভাব্য নেতাদের আন্দোলনের ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাজীবন ও অতীত কর্মকাণ্ড আলাদাভাবে যাচাই করা হয়েছে। তা ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা, সারা দেশে যোগাযোগ এবং ভালো কথা বলতে পারাটাও নেতৃত্ব নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, এবার নেতৃত্ব বাছাইয়ের বড় মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে কার কী ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে দীর্ঘ প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে সংগঠনের সঙ্গে ছিলেন, কে মামলা, গ্রেপ্তার বা চাপের মধ্যেও সক্রিয় ছিলেন এবং জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে কার ভূমিকা কেমন ছিল—তা যাচাই করা হচ্ছে। এর সঙ্গে দেখা হচ্ছে শিক্ষাজীবন, একাডেমিক ফলাফল, পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়, সাংগঠনিক আচরণ এবং কোনো বিতর্ক বা অভিযোগ আছে কি না। তবে শীর্ষ দুই নেতৃত্বই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সম্মুখসারিতে থাকা ও অবদান রাখা নেতারা নতুন কমিটিতে এগিয়ে থাকবেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য অতীতে কারা কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে কাজ করার সক্ষমতা কার আছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।