ঢাকা সিটিতে ভিভিআইপি মুভমেন্টেকে কেন্দ্র করে রাস্তা আটকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সাংবাদিক শঙ্কর মৈত্র বলেছেন, ধন্যবাদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আচারি ধর্ম পরেরে শেখাও, এটা আপনি মানছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে তিনি জানান, আজ একটা মজার ঘটনা ঘটলো। সকাল ৯ টা ১০ মিনিট। শিক্ষাভবনের কোণা থেকে রাস্তা পার হয়ে হাইকোর্টে যাবো। সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছি। এমন সময় দেখি আমার পাস ঘেসে গাড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সঙ্গে তার নিরাপত্তা প্রটোকলের ৩/৪ টি গাড়ি। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। এতো কাছাকাছি, চোখে চোখ পড়তে হাতও ওঠালাম।
অনেক প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, প্রধান উপদেষ্টা দেখেছি। তারা মুভ করার আধাঘন্টা আগ থেকে রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হতো। ধরেন প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যদি প্রেসক্লাবের সিগন্যালে থাকতো তা হলে কাওরান বাজারের রাস্তা পর্যন্ত বন্ধ করে রাখতো পুলিশ আর নিরাপত্তা বাহিনী। আর তাদের সন্ত্রস্ত আচরণ দেখে বিষ্মিত হতাম।
বিশাল গাড়িবহর নিয়ে দিনে দুবার যদি ঢাকা সিটিতে ভিভিআইপি মুভ করে, তা হলে সেই যানজটের নাকাল রাত ১০টা পর্যন্ত ঠেকতো উল্লেখ করে তিনি জানান, আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তিনি নতুন মিথ চালু করেছেন। আমি এটা কল্পনাও করতে পারিনি ছোট্ট গাড়ি বহর নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী যাতায়াত করছেন।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শঙ্কর মৈত্র লেখেন, পুলিশের তোড়জোড় নেই। সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়া নেই। এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। আচারি ধর্ম পরেরে শেখাও, এটা আপনি মানছেন।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি জানান, তবে সাবধানও থাকতে হবে। দেশটা বাংলাদেশ। নিরাপত্তা দিতে হবে। সেটা কৌশলে এবং প্রযুক্তি দিয়ে।


