পরবর্তী সময়ে খোঁজ নিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাঁর ভাইকে হত্যা করেছেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন রাজিব। তিনি তাঁর ভাই হত্যার বিচার চান।
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান পরশ ও সাধারণ সম্পাদক নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সব আসামিই পলাতক।
আজ রাজিবের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হলো। ৪ আগস্ট থেকে এই মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হবে।



