
তেহরান, ১ আগস্ট – কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। সম্প্রতি প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে কুয়েতের এই ঘাঁটিতে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর শেখ ঈসা বিমানঘাঁটিতে অপারেশন থান্ডারের আওতায় ২৬তম ধাপের হামলা সফলভাবে সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে তেহরান।
ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয় যে ইরানে চালানো মার্কিন সামরিক হামলার জবাবে অপারেশন সায়েকেহ বা বজ্রপাতের ২৭তম ধাপে কুয়েতের ওই ঘাঁটিতে আক্রমণ চালানো হয়েছে। সম্প্রতি কেশম দ্বীপের একটি আবাসিক বাড়িতে মার্কিন বিমান হামলায় এক ট্যাক্সিচালক এবং তার পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।
আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটিতে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে বিমান আশ্রয়কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এদিকে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটিতে উন্নত ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং নেভিগেশন সিস্টেম লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়।
ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে এই হামলাগুলো মূলত নিহত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমির মৃত্যুর প্রতিশোধ। তিনি ইরানের সু ২৪ যুদ্ধবিমানের একজন পাইলট ছিলেন।
ইরান দাবি করেছে যে জুলাই মাসের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে হামলা চালিয়ে আসছে যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এর জবাবে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে তারা এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।
তেহরানের দাবি অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন করতে বর্তমানে কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছে।
এনএন/ ১ আগস্ট ২০২৬






