২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২ ম্যাচের সিরিজ খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। চলতি জুলাই মাসে বৃষ্টি বাধা কাটিয়ে অনুশীলন করতে হয়েছিল টাইগারদের। নির্বিঘ্ন অনুশীলন না করতে পারাটাকে আসন্ন সিরিজে প্রস্তুতির ঘাটতি হিসেবে দেখছেন শান্ত। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জও দেখছেন তিনি।
শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ দল। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে আসেন শান্ত। সেখানে প্রস্তুতি নিয়ে বলেছেন, ‘বৃষ্টির কারণে সেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। তবুও গ্রানাইটে, বোলিং মেশিনে প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রস্তুতির কথা বললে একটু তো ঘাটতি আছে।’
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাওয়া নিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলছি, আমরা খুবই ভাগ্যবান। যদিও আমার মনে হয় গত ২৩ বছরে আমাদের সেখানে আরও ম্যাচ খেলা উচিত ছিল। অস্ট্রেলিয়াতে আমাদের লক্ষ্য থাকবে কত ভালো ক্রিকেট খেলা যায়। আমরা যেভাবে খেলছি সেটা যেন চালিয়ে যেতে পারি। আমরা যেন এর নিচে না যাই।’
‘গত কয়েক বছরে টেস্ট যেভাবে খেলছি চেষ্টা করব সেভাবেই খেলার। ভিন্ন কন্ডিশন, যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পারি। এই টেস্ট দল ভালো জায়গায় আছে। এখান থেকে যেন আমরা নিচের দিকে না যাই। এর চেয়ে কত ভালো দিকে যেতে পারি এটাই মূল লক্ষ্য থাকবে।’-যোগ করেন শান্ত।
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে চ্যালেঞ্জ দেখছেন জানিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘কন্ডিশন আসলে এত দূর থেকে আইডিয়া করা কঠিন। শেষ কবে গিয়েছি আমার মনে নেই, ২৩ বছর আগে। কন্ডিশন সেখানে যাওয়ার পরেই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। টেস্ট দল ব্যাটিংয়ের দিক থেকে অভিজ্ঞ। বোলিংটাও ভালো হচ্ছে। যদি কন্ডিশনেও মানিয়ে নিতে পারি আশা করি আমরা ভালো করতে পারব।’
চ্যালেঞ্জ থাকলেও ভালো কিছু করার লক্ষ্য রয়েছে টাইগারদের। বলেছেন, ‘আমি যখনই এই দল নিয়ে ম্যাচ খেলি চেষ্টা করি কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। ফল নিয়ে না ভেবে প্রক্রিয়াটা কী, কোথায় ঘাটতি আছে, সেখানেই আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে। হোমে খেলি বা বাইরে খেলি। এই সিরিজেও নতুন কিছু থাকবে না। লক্ষ্য থাকবে কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।’
বোলারদের কাছ থেকে ২০ উইকেট আশা করছেন শান্ত। বলেছেন, ‘হাসান, মুশফিকদের নিয়ে গড়া পেস আক্রমণের থেকে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে প্রত্যাশা থাকবে যে তারা ২০ উইকেট এনে দেবে। সাথে দুইজন অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে। তারাও সাহায্য করবে পেসারদের। স্কোয়াডে যে পেসাররা আছে সবাই সামর্থ্যবান। তারা যদি তাদের সেরা বোলিংটা সেদিন করতে পারে অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।’


