ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে পোস্ট মুছতে অস্বীকৃতি বিজেপি এমপির মেয়ের | চ্যানেল আই অনলাইন

ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে পোস্ট মুছতে অস্বীকৃতি বিজেপি এমপির মেয়ের | চ্যানেল আই অনলাইন

ভারতের সদ্য পদত্যাগী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে করা একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট মুছতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আলোচনায় এসেছেন বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর মেয়ে অর্চিতা সারঙ্গী। 

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর শেয়ার করে অর্চিতা ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘আমি পোস্টটি মুছব না।’ এরপর আরেকটি স্টোরিতে তিনি দাবি করেন, অতীতেও তার করা পোস্ট মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হয়েছিল।

অর্চিতা লেখেন, ‘ডিপির (ধর্মেন্দ্র প্রধান) পিএ, যিনি নিশ্চিতভাবেই আমার মাকে মেসেজ করে আগের স্টোরি মুছে ফেলতে বলবেন (এটা আগেও হয়েছে), দয়া করে কষ্ট করবেন না। আমি পোস্টটি মুছব না। জয় জগন্নাথ! জয় হিন্দ!’

এই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা শুরু হয় যে, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে করা পোস্ট সরিয়ে ফেলতে তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গী প্রকাশ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি বলেন, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নৈতিক দায় স্বীকার করে ধর্মেন্দ্র প্রধান সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পদত্যাগ করেছেন।

এর কিছুক্ষণ পর অর্চিতা সারঙ্গীর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তবে অ্যাকাউন্টটি কেন বন্ধ করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে অপরাজিতা সারঙ্গী ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার (আইএএস) কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি ভুবনেশ্বর আসন থেকে জয়ী হন।

শনিবার দিল্লির যন্তর-মন্তরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, দেশের তরুণদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না জড়ানো এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী রাখার স্বার্থে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পাশাপাশি আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আরও কয়েকটি দাবি তোলে। এর মধ্যে ছিল, নিট পরীক্ষা বাতিলের পর আত্মহত্যা করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা।

পরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। এরপরই তারা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

Scroll to Top