গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা মৌজার একটি সরকারি লিজকৃত জমি কেন্দ্র করে চলমান বিরোধে অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট নথি ও ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি ভূমি রেকর্ড, লিজ আদেশ এবং নামজারি খতিয়ান অনুযায়ী “ক” গেজেটভুক্ত ০.২০ একর সরকারি জমি প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করেই লিজ দেওয়া হয়েছে। লিজগ্রহীতা সময়মতো নিয়মিত সরকারি রাজস্ব ও লিজমানি পরিশোধ করে আসছেন। ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি নীতিমালা শতভাগ মেনেই জমিটি হস্তান্তর করা হয়।
তবে অপর পক্ষ আফজাল হোসেনের দাবি, অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে, লিজগ্রহীতা পক্ষের দাবি— এসএ ২৬৭ দাগ থেকে সৃষ্ট ৫২০ দাগের ২.৬০ শতাংশ উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি নিয়েও একটি পক্ষ অন্যায় বিরোধ তৈরি করেছে। বিষয়টি বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে দাবি-পাল্টা দাবির পর্যায়ে গড়িয়েছে।
সম্প্রতি এ ঘটনার জের ধরে অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেনের মামাতো ভাই কালিয়াকৈর থানায় ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন বলেন, “আমি সরকারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বৈধভাবে জমির লিজ নিয়ে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছি এবং নিয়মিত সরকারি লিজমানি পরিশোধ করছি। আমার বিরুদ্ধে আনা জবরদখল ও হুমকির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি মূলত আমার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার একটি অপচেষ্টা মাত্র।”
