জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান ও ইনভেন্টরি কার্যক্রম – DesheBideshe

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান ও ইনভেন্টরি কার্যক্রম – DesheBideshe


জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান ও ইনভেন্টরি কার্যক্রম – DesheBideshe

ঢাকা, ২০ জুলাই – ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক এবং সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসিক এলাকার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম জলসিঁড়ির আটতলা এই বাড়িতে ইনভেন্টরি কার্যক্রম শুরু করে।

সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে আদালতের পূর্ব নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই ইনভেন্টরি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।

এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার স্থাবর সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলার প্রশাসক এবং গণপূর্ত বিভাগকে রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেন আদালত। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩৪২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে মামলা রয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, জিয়াউল আহসানের ঢাকা ও এর আশেপাশে পাঁচটি বাড়ি, বাগানবাড়ি, ফ্ল্যাটসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়া শেয়ারবাজারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ এবং মার্কিন ডলারে ব্যাংক ব্যালেন্সের তথ্যও পাওয়া গেছে।

সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ২০১৭ সালে তিনি অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং সেখানে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেন। এছাড়াও দুবাই, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রেও তার অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষার্ধে তার বিরুদ্ধে এই অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ার দায়ে অভিযুক্ত হওয়ার পর তার এবং তার পরিবারের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যেই স্থগিত করা হয়েছে। ১৯৯১ সালে সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়া জিয়াউল আহসান কর্মজীবনে র‍্যাব, এনএসআই এবং এনটিএমসির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এনএন/ ২০ জুলাই ২০২৬



Scroll to Top