গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি ওই ডাকবাংলোতে ইউএনও, ওসি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আমার মেয়েকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করছিলাম। এ সময় প্রাঙ্গণে থাকা আমার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। শুনেছি, ওই সময় নাকি সাধারণ সম্পাদকের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। ওই বাংলাতে সিসিটিভি রয়েছে, ওই ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে, গাড়ি কারা ভাঙচুর করেছে। আমি ওসিকে নির্দেশ নিয়েছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতার গাড়ির রং একই রকম। দুষ্কৃতকারীরা নুরুল ইসলামের গাড়ি মনে করে সংসদ সদস্যের গাড়িও ভাঙচুর করে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। তদন্তের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



