মামলা চলার সময়ে শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিশুটির মা তাকে নিয়ে ঢাকায় যান। দুটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে একটি হাসপাতালের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র, অস্ত্রোপচারের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও অস্ত্রোপচারের জন্য আড়াই লাখ টাকার প্রয়োজন জানিয়ে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়।
আইনজীবী ফেরদৌস হোসেন বলেন, ‘ছেলেটি ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর বিচারককে আমরা অনুরোধ করেছিলাম যেন তিনি শিশুটিকে দেখেন। শিশুটিকে এক শুনানির দিন আদালতে নেওয়া হয়। তখন বিচারক শিশুটিকে ডায়াসে ডেকে নেন। তিনি দেখেন যে শিশুটির বাম হাত অস্বাভাবিক ফোলা ও কালচে বর্ণ ধারণ করেছে।’
মামলার রায় থেকে জানা গেছে, বিচারক শিশুটির অস্ত্রোপচার বাবদ ২ লাখ ৫১ হাজার টাকা বাবা বহন করবেন বলে আদেশ দেন। শিশুটির মায়ের ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর পরিশোধ করতে বলেন। শিশুটির ১৩ মাসের বকেয়া ভরণপোষণ বাবদ ৩৯ হাজার টাকা পরিশোধ ও রায়ের পর থেকে শিশুটির পড়াশোনা, চিকিৎসার নিয়মিত খরচবাবদ মাসে ৮ হাজার টাকা করে ভরণপোষণ দেওয়ার আদেশ দেন।
এদিকে আদালতের আদেশের বিষয়ে মন্তব্য জানতে শিশুটির বাবার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হয় ও বার্তা পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি। তবে তাঁর ছোট ভাই কথা বলেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ভরণপোষণের রায়ের কথা তিনি শুনেছেন। আদালত যখন রায় দিয়েছেন, তখন তাঁর ভাই ‘নিশ্চয়ই’ তা পালন করবেন।



