এআই ব্যবহার করে যৌন নিপীড়নের শঙ্কা, অনলাইনে শিশুর ছবি দেওয়া নিয়ে সতর্কবার্তা

এআই ব্যবহার করে যৌন নিপীড়নের শঙ্কা, অনলাইনে শিশুর ছবি দেওয়া নিয়ে সতর্কবার্তা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনার নির্দেশিকার মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীদের নিজের অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করা, যাতে ছবিতে তাঁদের শিশুদের ‘মুখ, শরীর বা স্কুলের ইউনিফর্ম’ দেখা যাচ্ছে কি না, ছবিটি এখনো অনলাইনে রাখার বিষয়ে তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন কি না এবং এটি মুছে ফেলা বা প্রাইভেট করা যায় কি না, সেটি ভালো করে ভেবেচিন্তে দেখতে পারেন।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের অন্য সদস্যরা শিশুদের কোনো ছবি (পুরোনো পোস্টসহ) অনলাইনে দিচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করা এবং এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে ‘স্পষ্ট ও শান্তভাবে’ আলোচনা করা।

এর পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নার্সারি বা ক্লাবগুলোতে শিশুদের ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে মা–বাবা কিংবা অভিভাবকদের সই করা সম্মতিপত্রগুলো পর্যালোচনা করার এবং সেই অনুমতি বা সম্মতি তাঁরা প্রত্যাহার করতে চান কি না, তা বিবেচনা করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশিকায়।

আইডব্লিউএফের বিপণনপ্রধান টম ডাইসন বলেন, ‘আপনি যদি কোনো ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে আপনার শিশুদের ছবি সরিয়ে নিতে চান, তবে আপনি তা পূর্ণ অধিকার বা স্বাধীনতা নিয়ে নির্দ্বিধায় করতে পারেন।’

Scroll to Top