পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে রাতুলসহ কয়েকজন আশিবিঘা এলাকার বালুর মাঠে ছিলেন। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন গিয়ে রাতুলকে মাঠে পড়ে থাকতে দেখেন। দুর্বৃত্তরা তাঁর ডান পায়ের ঊরুতে গুলি করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন রাতুলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে কী কারণে তাঁকে গুলি করা হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই এলাকায় কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। কোনো সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে এ ঘটনার সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আহত তরুণ কোনো একটি গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। আবার নতুন কোনো গ্রুপ গঠনকে কেন্দ্র করেও এ ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


