প্রথমবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপে নকআউট পর্ব শুরু হয়েছিল শেষ ৩২ দিয়ে। এ রাউন্ডে ইকুয়েডরের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে জার্মানি। নির্ধারিত সময়ে ১-১ ড্র ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে একটি গোল করেছিল জার্মানি। যা রেফারি বাতিল করে দেন। এরপর খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে, বাদ পড়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বাতিল গোলটি নিয়ে পরে আলোচনার ঝড় ওঠে। অতিরিক্ত সময়ের সেই গোল বাতিলের ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা।
নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ইকুয়েডরের জালে বল জড়িয়েছিলেন জার্মানির ডিফেন্ডার জনাথন তাহ। গোলটি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিদ্ধান্তে বাতিল হয়ে যায়। ইকুয়েডরের গোলকিপার অরল্যান্ডো গিলকে ফাউল করা ছিল গোল বাতিলের কারণ।
ফিফার রেফারি প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা জানিয়েছেন, ম্যাচ পরিচালকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যেন তারা এমন ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেন, যেখানে খেলোয়াড়রা বল খেলার কোন চেষ্টা না করেই প্রতিপক্ষকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে।
কলিনা ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘যদিও নিজের অবস্থান ধরে রাখাটা নিজে কোন ফাউল নয়। তবে কোন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় যখন বলের প্রতি আগ্রহী না হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে, এমনকি সামান্য হলেও প্রতিপক্ষের চলাচলে বাধা দেয়ার বা তাদের রক্ষণাত্মক কাজে বিঘ্ন ঘটানোর স্পষ্ট উদ্দেশ্যে নড়াচড়া করেন, তখন রেফারিদের (এবং প্রয়োজনে ভিএআরের) উচিত ঘটনাটি সতর্কতার সাথে বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেয়া।’
‘বিশেষ করে যখন এই কৌশলের লক্ষ্য থাকে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে গোল রক্ষা করা থেকে বিরত রাখা, তখন বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কোচ ও খেলোয়াড়দের এ বিষয়ে আগেই জানানো হয়েছিল, তাই রেফারিরা যে এধরনের ফাউলের জন্য শাস্তি দেবেন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।’
কলিনা আরও বলেছেন, ‘এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্ভাবন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।’





