এনআরজি স্টেডিয়ামে ‘নেইমার, নেইমার’ ধ্বনিতে মুখর ছিলেন ব্রাজিল সমর্থকরা। সবাই আশা করেছিলেন, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠে নামবেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে শতভাগ ফিট থাকলেও তাকে খেলানোর প্রয়োজন মনে করেননি ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
মঙ্গলবারের ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে মাঠে নামান আনচেলত্তি। শেষ মুহূর্তে তার করা গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল এবং নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্ব।
ম্যাচ শেষে নেইমারকে না খেলানোর কারণ ব্যাখ্যা করেন আনচেলত্তি। তিনি জানান, অতিরিক্ত সময়ের কথা মাথায় রেখেই নেইমারকে বেঞ্চে রাখা হয়েছিল।
আনচেলত্তি বলেন, “আমি নেইমারকে অতিরিক্ত সময়ের জন্য রেখে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ জিতে যাওয়ায় তাকে নামানোর প্রয়োজন হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, নকআউট পর্বের ম্যাচে অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখেই দল সাজানো হয়েছিল। তাই অভিজ্ঞ নেইমারকে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল।
দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপ দিয়েই প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিল দলে ফিরেছেন নেইমার। গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে প্রায় ১৫ মিনিট খেলেন তিনি এবং অল্প সময়েই কয়েকটি আক্রমণাত্মক সুযোগ তৈরি করে নিজের ফিটনেসের ইঙ্গিত দেন।
আনচেলত্তির ভাষ্য, নেইমার এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট। ফলে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্বে ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্ট।



