দণ্ড পাওয়া ব্যক্তির নাম আশরাফ আলী (৪৬)। তিনি ফরিদপুর শহরের একটি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক। মাদ্রাসার একটি কক্ষে স্ত্রী–সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি।
মামলার এজাহার ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী এবং হেফজখানার শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে তাকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন আশরাফ আলী। সেদিন তাঁর স্ত্রী–সন্তান বাসায় ছিলেন না। ফাঁকা বাসার সুযোগ নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।



