তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি করহারের ইতিবাচক উদ্যোগকে ম্লান করে দিচ্ছে অর্থবিলের অন্যান্য বিধান; যার বেশির ভাগই আবার সেই পুরোনো ‘ভূতাপেক্ষ’ ভিত্তিতে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আয় বছর শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে এ ধরনের আকস্মিক পরিবর্তন করদাতাদের মধ্যে চরম নীতি-অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এবারের প্রস্তাবিত অর্থবিলে বেশ কিছু উদ্বেগজনক উদাহরণ রয়েছে। সেগুলোর কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হলো:
বিনিয়োগ রেয়াতের সুবিধা কমানো
প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগের ওপর বিদ্যমান কর রেয়াত সুবিধা কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ব্যক্তি করদাতার ওপর। সর্বোচ্চ কর রেয়াত সুবিধা পেতে হলে করদাতাকে ৩০ জুনের মধ্যে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে।
ধরা যাক, ২০২৫-২৬ আয় বছরে একজন ব্যক্তির করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা। আগের নিয়মে সর্বোচ্চ কর রেয়াত পেতে তাকে হয়তো ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হতো। কিন্তু নতুন প্রস্তাবনার কারণে একই পরিমাণ করসুবিধা পেতে তাকে ৩০ জুনের মধ্যে ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আয় বছর শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে এই অতিরিক্ত তারল্য জোগাড় করা সাধারণ করদাতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা।



