নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, রেজু আমতলীর ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলারের পশ্চিমে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৪০০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন আহত শফিকে উদ্ধার করে কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।
এর আগে গত ২৪ মে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হন। পরে ৯ জুন আরও একজন কৃষক একই ধরনের ঘটনায় প্রাণ হারান। এ ছাড়া ২ জুন পরিত্যক্ত মর্টারশেল নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যু হয়।



