
লিসবন, ১৮ জুন – ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল বড় কিছুর, তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটিতে পর্তুগিজ এই মহাতারকা ছিলেন বেশ নিষ্প্রভ। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আসা মধ্য আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পর্তুগালকে।
ম্যাচে রোনালদো পুরো সময় মাঠে থাকলেও প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেননি তিনি। এমন অফ-ফর্মের পরও অধিনায়ককে কেন বদলি করা হয়নি, সেই বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কোচ রবার্তো মার্তিনেজ।
আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে টানা ১০ ম্যাচে গোল না পাওয়া সত্ত্বেও রোনালদোকে তুলে নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা দেখেননি কোচ। মার্তিনেজের মতে, রোনালদোকে তার বয়স দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি মাঠের পরিস্থিতি এবং শারীরিক প্রস্তুতির ওপর বেশি গুরুত্ব দেন।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় কোচ বলেন যে যখন দলের গোলের প্রয়োজন থাকে, তখন বিশ্বের সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে সরিয়ে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
ম্যাচের শুরুতেই জোয়াও নেভাসের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। তবে প্রথমার্ধেই গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরে কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সেড্রিক বাকাম্বুর একটি শট গোলপোস্টে না লাগলে হারের মুখও দেখতে হতো পর্তুগিজদের।
তবে শুরুতেই এমন ধাক্কাকে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন না পর্তুগাল বস। তিনি উদাহরণ হিসেবে ২০২২ সালে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার হার এবং ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে স্পেনের পরাজয়ের কথা উল্লেখ করেন।
তার মতে, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং মাঝপথে এমন হোঁচট আসতেই পারে।
এনএন/ ১৮ জুন ২০২৬






