বিশ্বকাপ ফুটবলের খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই শুরু হয়ে গেছে নানা সমীকরণ ও সম্ভাবনা। গ্রুপপর্বের ৭২ ম্যাচ শেষে শুরু হবে নকআউট রাউন্ড। ২৮ জুন থেকে ১৯ জুলাই নকআউট রাউন্ডের ৩২ ম্যাচ শেষে নির্ধারণ হবে ১৯ জুলাইয়ের গ্র্যান্ড ফিনালের দুই দল।
৪৮ দল, ১০৩ ম্যাচ শেষে ফাইনাল, বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এমন কঠিন লড়াই কেউ কখনও দেখেনি। ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে একেকটি দলকে খেলতে হবে ৭ ম্যাচ। এরমধ্যে রাউন্ড অব থার্টি-টু থেকে সেমিফাইনাল, নকআউট রাউন্ডের মরণবাঁচন ম্যাচ ৪টি।
১২ গ্রুপে ৪৮ দল নিয়ে শুরু গ্রুপপর্ব। চার দলের একেক গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল সরাসরি রাউন্ড অব থার্টি-টুর টিকিট পাবে। ১২ গ্রুপের তৃতীয়স্থান পাওয়া ১২ দলের মধ্য থেকে পয়েন্ট প্রাপ্তি ও গোল পার্থক্য মিলিয়ে সেরা ৮ দল ২৪ দলের সাথে যোগ হয়ে খেলবে রাউন্ড অব থার্টি-টুতে।
এরপর নকআউট ভিত্তিতে রাউন্ড অব সিক্সটিন, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল হয়ে সেরা দুই দল পৌঁছে যাবে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মেগা-ফাইনালে।
নকআউট রাউন্ডের ম্যাচ নির্ধারিত ৯০ মিনিটে মীমাংসা না হলে থাকছে ১৫-১৫ মিলিয়ে ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়ের খেলা। তাতেও মীমাংসা না হলে টাইব্রেকার-সাডেন ডেথ’র মাধ্যমে নির্ধারণ হবে জয়ী দল।
গ্রুপ বিন্যাস ও স্বাভাবিক প্রত্যাশিত ফল এলে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার নকআউট রাউন্ডে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে উরুগুয়ে, পর্তুগাল। সেমিফাইনালে দেখা হয়ে যেতে পারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের সঙ্গে।
ইউরো-পাওয়ার হাউজ ফ্রান্স নকআউট রাউন্ডে নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, জার্মানির এবং ফেভারিট স্পেন এইচ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসাবে নকআউট রাউন্ডে উঠলে এড়াতে পারবে ইংল্যান্ড বা ফ্রান্সের মতো সুপার পাওয়ারের।



