তরুণদের ‘মানি ম্যানেজমেন্ট’ কৌশল

তরুণদের ‘মানি ম্যানেজমেন্ট’ কৌশল

জরুরি তহবিল তৈরি
অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি, যেমন চাকরি হারানো, অসুস্থতা বা দুর্ঘটনা—এসবের জন্য একটি ‘ইমার্জেন্সি ফান্ড’ থাকা উচিত। সাধারণভাবে বলা হয়, অন্তত তিন থেকে ছয় মাসের খরচের সমান টাকা আলাদা করে রাখা উচিত। এতে আর্থিক চাপ কমে এবং অনিশ্চয়তার সময়েও মানসিক স্থিরতা বজায় থাকে।

ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে তরুণদের মধ্যে সতর্কতার অভাব লক্ষ করা যায়। অনেকে কার্ডের ঋণের টাকাকে নিজের টাকা ভেবে নেন। কিন্তু ঋণ আসলে ঋণই। আর ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ ভোগ করলে তা একসময় বিপদ বয়ে আনতে পারে।

তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে যতটা দরকার, ততটুকুই খরচ করা উচিত। মাস শেষে সম্পূর্ণ বিল পরিশোধের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ইএমআই বা কিস্তিতে কেনাকাটা থেকে বিরত থাকা ভালো।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
মানি ম্যানেজমেন্টের শেষ ধাপ হলো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। নিজের শিক্ষা, পরিবার, অবসর বা ব্যবসার জন্য দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করা। কেউ চাইলে প্রতি মাসে ছোট অঙ্কে SIP (Systematic Investment Plan) বা মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ শুরু করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এখন অনেক বেশি স্বচ্ছ ও ডিজিটাল। তরুণেরা যদি ধৈর্য ধরে ‘লং টার্ম ইনভেস্টর’ হিসেবে বাজারে থাকে, তবে তা তাদের ভবিষ্যতের জন্য এক শক্তিশালী সম্পদভিত্তি হতে পারে।

Scroll to Top