জ্বালানিসংকট: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশে মার্কিন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়। বাদ যায়নি জ্বালানি স্থাপনাও। এ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানিসংকট দেখা দেয়। বিশ্ববাজারে দ্রুত বাড়তে থাকে জ্বালানি তেলের দাম। গত ৮ এপ্রিল সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে স্থায়ী শান্তিচুক্তি এখনো অধরা রয়ে গেছে।
এর ওপর বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধের শুরুর দিকে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় ইরান। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে ওয়াশিংটন।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল আর প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এসব জ্বালানির বড় অংশের গন্তব্য ছিল এশিয়ার দেশগুলো। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তেহরানের হাতে।
এ প্রণালি ঘিরে দীর্ঘদিনের অবরোধ জ্বালানি সরবরাহে বড় বিঘ্ন ঘটিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারকে অস্থির করে তুলেছে। যুদ্ধের আগে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৬৬ ডলারের আশপাশে। পরে সেটা বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।



