কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য ১৫টি গরু নিয়ে এসেছেন রূপিয়ান মিয়া। তাঁর বাড়ি টেংরা বাজারের কাছে। অনেক বছর ধরে তিনি এই হাটে গরু কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, ‘বাজারের অবস্থা অখন অইলে হাইল অইবো, নাইলে মাইল অইবো (হয় চড়া হবে, না হয় মন্দা হবে)। দর মাইনসের বাটে পড়ের না (দাম মানুষের নাগালের মধ্যে হচ্ছে না)।’
রূপিয়ান মিয়া জানান, অন্যান্য বছর ঈদের বাজার অনেক ভালো হয়। এবার বাজার সুবিধার নয়। বাজারে ক্রেতা কম। তারপরও যাঁরা আসছেন, তাঁরা দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। তাঁর মতো খামারিদের কাছে যে গরু আছে। তা ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের। ঈদ সামনে রেখে গ্রামের বিভিন্ন ছোট ছোট হাট থেকে তাঁরা এই গরুগুলো সংগ্রহ করেছেন। তাঁর মতে, ‘মানুষ অভাবে মনে অর (হচ্ছে)। মানুষর আত (হাতে) টাকা নাই। ছোট গরু বেশি চায়। ৮০-৮৫ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে গরু খোঁজে। অন্য বছর এমন দিনে গরুর বাজার চড়া যায়, এবার মন্দা যার (যাচ্ছে)।’
একই সারিতে খুঁটিতে বেঁধে রাখা অনেক গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা টেংরার রিয়াজুল মিয়া বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে গরু লইয়া আইছি। এখন বিকাল। দরদাম অর (করে), কিন্তু একটা গরুও বিক্রি অইছে না।’


