শুক্রবার ওয়াশিংটনে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অস্ত্র বিক্রি ‘কেবল তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিই নয়, বরং এটি আঞ্চলিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের একটি অংশও।’
তাইপের ন্যাশনাল চেংচি ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের গবেষক জেং ওয়েই-ফেং বলেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো করতে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ান ইস্যুতে ‘চীনের অবস্থানের দিকেই ঝুঁকছে’। সদিচ্ছা দেখাতে তারা ‘অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজটিতে কিছুটা পরিবর্তনও আনতে পারে’।
ন্যাশনাল তাইওয়ান ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক লেভ ন্যাচম্যান এএফপিকে বলেন, ‘অস্ত্রকে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে প্রকাশ্যে উল্লেখ করে ট্রাম্প ঠিক সেই কথাটিই বলেছেন, যা তাইওয়ান শুনতে চায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশা করা হচ্ছিল যে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি আলোচনার অযোগ্য, কারণ এটি (যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া) ছয়টি প্রতিশ্রুতির অংশ। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত বোঝাতে চাইছেন যে ওই প্রতিশ্রুতিগুলোর একটির এখন আর কোনো গুরুত্ব নেই।



