বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি সূত্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে আগামী বাজেটে বরাদ্দ রাখার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছেন।
গতকাল বুধবারের বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কোনো কথা বলেননি। গত মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই আয়োজিত পরামর্শক কমিটির বৈঠকে বড় বাজেটের পক্ষে তিনি বলেছিলেন, বাজেট বড় করা না হলে কেউ বিনিয়োগ করতে আসবেন না। আবার উন্নয়ন বাজেটও বাড়াতে হবে। না হলে মোট দেশজ উন্নয়নের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বাজেটে নির্বাচনী ইশতেহার যেমন গুরুত্ব পাচ্ছে, তেমনি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর শর্ত-প্রত্যাশাও। ফলে বাজেটে একধরনের দ্বৈত চাপ তৈরি হয়েছে—জনগণকে স্বস্তি দেওয়া এবং উন্নয়ন-সহযোগীদের সন্তুষ্ট রাখা। নতুন সরকার চলতি অর্থবছর থেকেই নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি খাতকে সম্প্রসারণ করার পদক্ষেপ নিয়েছে, আগামী অর্থবছরে যা আরও সুসংহত রূপ পাবে।



