বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়েছে, অসহনীয় পর্যায়ে জ্বালানি সংকটও

বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়েছে, অসহনীয় পর্যায়ে জ্বালানি সংকটও

বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা বলেছেন, ‘গতকাল (বুধবার, ২২ এপ্রিল) বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩,৬৮১ মেগাওয়াট। ২০৮৬ মেগাওয়াটের মতো আমাদের লোডশেডিং হয়েছে। আমাদের ফোরকাস্টিং (পূর্বাভাস) হিসেবে দেখেছি, আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে গরমও। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটও অনেক বেশি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।’

বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়েছে, অসহনীয় পর্যায়ে জ্বালানি সংকটও

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

উম্মে রেহানা বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি—যে কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়ে গেছে। আজ উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে আমরা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও দেখা যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।’

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আদানি থেকে আমরা যে বিদ্যুৎ এনে থাকি, কারিগরি ত্রুটির কারণে তার একটি ইউনিট বন্ধ। আগামী ২৬ এপ্রিল সেকেন্ড ইউনিট ঠিক হলে বিদ্যুৎ পাব। বাঁশখালীতে এসএস পাওয়ারের একটি আইপিপি প্ল্যান্ট আছে। সেখানেও একটি ইউনিট বিকল হওয়ার কারণে প্রায় সাড়ে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। আগামী ২৮ এপ্রিলের দিকে এটিও ঠিক হয়ে যাবে। এ সময় আমরা প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারব।’

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

বিদ্যুৎ বিভাগের এ যুগ্মসচিব বলেন, ‘আরএনপিএলের (পায়রা) একটি কেন্দ্র বন্ধ। কয়লা আমদানি করে আনতে হয়। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কয়লা আসবে। এতে সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ১৯৮২ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারব। তখন মানুষের সংকট কিছুটা নিরসন করতে পারব বলে আশা করছি।’

Scroll to Top