নতুন এই ভূমিকায় তানভীর গনি বাংলাদেশ এবং বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবধান কমিয়ে আনতে কাজ করবেন।
তার দায়িত্বগুলোর মধ্যে থাকবে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, আর্থিক পরিকল্পনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে পুঁজিবাজারকে আরও গভীর করতে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো।
এ বিষয়ে তানভীর গনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, বাংলাদেশ এখন গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে। ‘ব্রেকআউট নেশন’ হতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতা ও বৈশ্বিক আস্থা অর্জন জরুরি। স্বচ্ছতা, ধারাবাহিক নীতি ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে শক্ত যোগাযোগের মাধ্যমে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
ব্রেকআউট নেশন কী
ব্রেকআউট নেশন বলতে এমন একটি দেশকে বোঝায়, যা দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা—যেমন ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দুর্বল বিনিয়োগ পরিবেশ বা প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যাকে অতিক্রম করে হঠাৎ করে দ্রুত উন্নয়ন ও বৈশ্বিক গুরুত্ব অর্জনের পথে এগিয়ে যায়।
সহজভাবে বললে যে দেশ “সম্ভাবনার” পর্যায় থেকে বের হয়ে বাস্তবে দ্রুত অগ্রগতি দেখাতে শুরু করে—সেটিই ব্রেকআউট নেশন। ব্রেক আউট নেশনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শক্তিশালী নীতি ও প্রতিষ্ঠান, বৈশ্বিক বাজারে আস্থা তৈরি, নতুন খাতে (টেক, শিল্প, সেবা) বিস্তার।
বাংলাদেশকে ‘ব্রেকআউট নেশন’ বলা হয় তখনই, যখন দেশটি টেকসই উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও বৈশ্বিক আস্থার মাধ্যমে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।




