স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ব্যবসা করেছে—এমন মন্তব্য করে বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একক কৃতিত্ব যাতে কেউ দাবি না করে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সবার অবদান রয়েছে। এর একক দাবিদার কেউ নয়। কেউ যেন সেই চেষ্টা না করে।
আজ সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী। এর আগে বেলা সাড়ে তিনটায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজনসহ মোট ছয়জন সদস্য অংশ নেন।
বাগেরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক বলেন, এ দেশের মানুষ যখন ফ্যাসিবাদের অত্যাচারের মধ্যে জীবন কাটিয়েছে, ঠিক সে সময় ফ্যাসিবাদের পক্ষে রাষ্ট্রপতি ভূমিকা পালন করেছেন। সে জন্য তাঁকে ধন্যবাদ দিতে পারছেন না তিনি।
মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
সিরাজগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির সদস্য সেলিম রেজা বলেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারকে স্বৈরাচারী সরকার বলেছেন রাষ্ট্রপতি, সে জন্য তাঁকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।
পাবনা–৪ আসনের সদস্য মো. আবু তালেব মণ্ডল বলেন, ‘যদি জুলাই না হতো, তা হলে আমরা এই সংসদে আসার সুযোগ পেতাম না, এমনকি আজকের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেকে দেশে ফেরার সুযোগ পেতেন না। তাই জনগণের প্রত্যাশা যেন আমরা পূরণ করি।’



