স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে ৩ মে থেকে হামের টিকা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় আমরা এই টিকাদান কর্মসূচিটাকে অনেকটা এগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় আমরা এই টিকাদান কর্মসূচিটাকে অনেকটা এগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। উনার বিচক্ষণতা বা উনার যদি এইরকম জনগণের প্রতি দৃষ্টি রাখায় ঘাটতি থাকতো, তাহলে আজকে এই কর্মসূচিটা আমরা সফলভাবে করতে পারতাম না। কাজেই এই এলাকায় যারা আমাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ আছেন সবাইকে আমি অনুরোধ করবো যে গ্রামের দিকে খেয়াল রাখবেন।
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, আমাদের বাচ্চারা যদি হাম আক্রান্ত হয়, সাথে সাথে আপনারা অভিভাবকদের বুঝিয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেবেন, যাতে করে একটা সন্তানও যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে, কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়, আপনারা সেদিকে খেয়াল রাখবেন।’
তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি এবং ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়া হবে। আর ৩ মে থেকে অবশিষ্ট সারাদেশে একযোগে টিকা দেওয়া হবে। এ সময় অতীতের সরকারগুলোর ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে হামের প্রাদুর্ভাব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
৫ বছর বয়সি পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়ার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৮২ শতাংশ রোগী ৫ বছরের কম হওয়ায় তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের পরে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে আজ রোববার (৫ এপ্রিল)। ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে মিজলস (হাম) প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হচ্ছে।



