রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের ৪৪ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী সাবিত মাহমুদ শাওনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে তুরাগ থানার পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
একই বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ কাজল মিয়া বলেন, সাবিত কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও তিনি কিছু অস্বাভাবিক পোস্ট দিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সহপাঠীদের মধ্যে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ কাজল মিয়া জানান, সাবিত কয়েকদিন ধরেই মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু অস্বাভাবিক পোস্টও করেছিলেন। রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্ধুমহলের মাধ্যমে জানা গেছে, তার দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটেছিল, যা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
মৃত্যুর আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাবিত মাহমুদ শাওন দুটি স্ট্যাটাস দেন। একটিতে তিনি লেখেন, “At the end, you got to fight your own battles, and accept the defeat. 27/03/2026 (Killed my soul).”
অন্য পোস্টে তিনি অপরাধবোধ ও মানসিক অস্থিরতার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেন। তবে এসব পোস্টের সঙ্গে তার মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে তারা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় বিস্তারিত জানা যাবে।
তুরাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই ইখলাস মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক আলামতের ভিত্তিতে এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।





