গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত খোলাচিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীগুলোর কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে এবং জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যগুলো শুনে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘিত হয়ে থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক আইন–বিশেষজ্ঞ ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাঁদের মধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও আছেন।
চিঠিতে গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ট্রাম্পের করা একটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘নিছক আনন্দের জন্য’ ইরানে হামলা চালাতে পারে।
মার্চের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের একটি বক্তব্যের কথাও খোলাচিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ‘ফালতু নিয়মগুলো’ মেনে চলে না।
জাস্ট সিকিউরিটি সাময়িকীর ওয়েবসাইটে খোলাচিঠিটি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বিশেষজ্ঞরা বলেন, তাঁরা ‘স্কুল, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁরা যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানের একটি স্কুলে হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন।


