রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ নতুন একটি বহির্বিভাগ (আউটপেশেন্ট) চিকিৎসা ইউনিট উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি-এর উদ্যোগে ইউনিটটি নির্মিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম আজিজুল হক, পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হক এবং আইসিডিডিআর’বি-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিদ আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট চালুর ফলে চিকিৎসা সেবার পরিধি আরও বাড়বে এবং বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ সহজতর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে ডা. এ কে এম আজিজুল হক বেক্সিমকো ফার্মার এই কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার সক্ষমতা বাড়াতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা বলেন, একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের এসব উদ্যোগ সিএসআর কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনস্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে, বিশেষ করে জাতীয় সংকটের সময়ে এটা খুবই জরুরি।
বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশুস্বাস্থ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে তিনটি ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি দেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইনজেক্টেবল, ইনসুলিনসহ বিভিন্ন ধরনের জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানি করছে। রপ্তানি বাণিজ্যে অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ নয়বার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ) অর্জন করেছে।




