সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, জগন্নাথপুর ও দিরাই উপজেলায় ইউএনওরা দালালদের তালিকা করে সেটি পুলিশকে দিয়েছেন। সব উপজেলাতেই খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে আছেন তাঁরা। যাঁদের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ, তাঁদের কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, চিন্তাভাবনা চলছে।
সুনামগঞ্জের সব উপজেলা থেকেই কমবেশি একই প্রক্রিয়ায় অবৈধভাবে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে লোকজন যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সুনামগঞ্জ সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ঘটনা ঘটলেই কথা বলি। কিছুদিন গেলে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। এর মধ্যে জগন্নাথপুর, ছাতক, শান্তিগঞ্জ, দিরাই, দোয়ারাবাজার উপজেলায় বেশি। দালাল চক্র জেলাজুড়েই সক্রিয়। এদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন সোমবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেছেন, পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং গোপন তথ্যের মাধ্যমে দালালদের তালিকা তৈরি করছে। জগন্নাথপুর ও দিরাই থানায় এঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কেউ যদি মামলা না করেন তাহলে পুলিশই বাদী মামলা করবে। আজ-কালের মধ্যেই মামলা হবে।


