বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে গেছে নেপালে। জেন–জি আন্দোলনের পর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নেপালের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বালেন্দ্র শাহ। শপথের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই শাসনব্যবস্থা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১০০ দফার উচ্চাভিলাষী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন তিনি। বালেন্দ্র শাহর পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনি কয়েকটি বিতর্কের মুখেও পড়েছে।
বালেন্দ্র শাহ প্রশংসা পেয়েছেন মন্ত্রিসভায় নারী সদস্যদের প্রাধান্য দিয়ে। নতুন মন্ত্রিসভার গঠন নেপালের রাজনীতিতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বালেন্দ্র তাঁর ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভায় পাঁচজন নারী মন্ত্রী নিয়োগ করেছেন। এর মাধ্যমে নেপালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়েছে, যা দেশটির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা পূরণে একটি বড় পদক্ষেপ। এই নারী মন্ত্রীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইন, কৃষি, জনপ্রশাসন, বিচার ও সংসদবিষয়ক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।



