শনিবার (২৮ মার্চ) ঢালিউডের শীর্ষ তারকা শাকিব খান-এর জন্মদিন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে সক্রিয় থাকলেও ২০০৬ সালের পর থেকেই তার উত্থান হয়ে ওঠে চোখে পড়ার মতো।
এরপর থেকে টানা প্রায় দুই দশক ধরে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছেন তিনি। ভক্তদের কাছে তিনি ‘কিং খান’, ‘মেগাস্টার’—আর অনেকের মতে, তিনিই পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রাণ।
প্রযোজক-পরিচালক থেকে শুরু করে হল মালিক—সবার কাছে আস্থার নাম শাকিব খান। তাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে সিনেমার বাজেট, পরিকল্পনা ও ব্যবসার হিসাব। তার অভিনীত চলচ্চিত্র মানেই হলে দর্শকের উপচে পড়া ভিড়—এমন ধারণা যেন প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা। দীর্ঘ ২৬ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ২০ বছর ধরেই তিনি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।
ঢালিউডের মন্দার সময়েও আশার আলো দেখাতে পেরেছেন শাকিব খান। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ধরে রেখেছেন ইন্ডাস্ট্রির হাল, যা তার ক্যারিশমা ও জনপ্রিয়তারই প্রমাণ। প্রবীণ থেকে নবীন—প্রায় সব প্রজন্মের নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।
তার সহ-অভিনেত্রীদের তালিকাও সমৃদ্ধ। মৌসুমী, শাবনূর, পপি, পূর্ণিমা-এর মতো জনপ্রিয় নায়িকাদের সঙ্গে যেমন কাজ করেছেন, তেমনি বর্তমান প্রজন্মের সাবিলা নূর, তাসনিয়া ফারিণ, তানজিন তিশা-দের সঙ্গেও পর্দা ভাগ করেছেন।
শুধু দেশেই নয়, যৌথ প্রযোজনা ও কলকাতার চলচ্চিত্রেও কাজ করে তিনি দুই বাংলাতেই নিজের জনপ্রিয়তা বিস্তৃত করেছেন। ফলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও তাকে দুই বাংলার অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত তারকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এবারের জন্মদিনটিও কাটছে কাজের মধ্যেই। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন শাকিব খান। সেখানে তিনি আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিতব্য ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
সিনেমার পর্দায় যেমন রাজত্ব, তেমনি বাস্তবেও নিজের অবস্থান ধরে রেখে—বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য অধ্যায়ের নাম হয়ে উঠেছেন শাকিব খান।





