স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে প্রবেশ করলে একসময় দর্শনার্থীদের গা শিউরে উঠত। দুটি টর্চার সেলের ভেতরে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেমে শোনা যেত নারী-পুরুষের আর্তনাদ। মূলত নির্যাতনের আবহ সৃষ্টির জন্যই এমন শব্দের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এ ছাড়া পুরো কমপ্লেক্সে মৃদু স্বরে বাজত মুক্তিযুদ্ধের গান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে একদল লোক বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। লুট করে নিয়ে যায় সাউন্ড সিস্টেম, লাইটসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম।
সম্প্রতি বধ্যভূমি কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা আগের মতো সহজে ঢুকতে পারেন না। মূল সড়ক থেকে খালপাড় ঘেঁষে সিটি করপোরেশন একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলেও তা এখনো অসম্পূর্ণ। ফলে কয়েক ফুট নিচে লাফিয়ে নেমে বধ্যভূমিতে ঢুকতে হয়।
এক নিরাপত্তাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরের এক গভীর রাতে একদল লোক গিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভেতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করে দেয়ালে বিভিন্ন শব্দ লেখে। পরে অবশ্য লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।


