ছুটির মাঝে ঐতিহ্যের টানে কেল্লার পানে

ছুটির মাঝে ঐতিহ্যের টানে কেল্লার পানে

পরিবারের সঙ্গে আসা রিমা আক্তার বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে ভালো লাগছে। এখানে ইতিহাস, সৌন্দর্য—সব একসঙ্গে পাওয়া যায়।’

কেল্লার এক কোণে দাঁড়িয়ে দেয়ালের নকশা দেখছিল দুই শিশু—নাইম ও সুমাইয়া। নাইম কৌতূহল নিয়ে বলে, ‘কেল্লা অনেক বড়। কীভাবে বানাল এটা?’ সুমাইয়া হাসতে হাসতে বলে, ‘আমি এখানে অনেক ছবি তুলেছি, সবাইকে দেখাব!’ শিশুদের এই বিস্ময়ই যেন প্রমাণ করে—লালবাগ কেল্লা শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি শেখারও এক অনন্য ক্ষেত্র।

তবে ভিড়ের চাপে কিছুটা বিশৃঙ্খলাও চোখে পড়ে। অনেক দর্শনার্থী নিয়ম না মেনে বাগানের ফুলে হাত দিচ্ছিলেন। তখন নিরাপত্তাকর্মীদের তৎপর হয়ে উঠতে হচ্ছিল।

আজ দুপুরে কেল্লায় ফটক খোলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক দর্শনার্থী। তাঁরা দুপুরের আগেই কেল্লার সামনে এসে ভিড় করেছিলেন। তবে ঢুকতে পারেননি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে পরিবার নিয়ে আসা রেজাউল করিম বলেন, ‘গতকালও এসেছিলাম। বিকেল পাঁচটা বেজে যাওয়ায় প্রবেশ করতে পারিনি। আজ আবার এলাম, এখন জানতে পারলাম দুপুরে খুলবে। ঈদের সময়টা আরেকটু বেশি সময় দুর্গে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।’

Scroll to Top