সিঙ্গাপুর, চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আরব আমিরাত, কুয়েত, থাইল্যান্ড, ওমান ও ভারত থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আসে দেশে। এর মধ্যে অধিকাংশ দেশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করে বাংলাদেশে ডিজেল রপ্তানি করে। তাদের আমদানি ব্যাহত হলে ডিজেল সরবরাহ কমতে পারে। তাই বিকল্প উৎস সন্ধান করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেল আমদানির কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, প্রতি মাসে গড়ে ১৫টি জাহাজ আসে জ্বালানি তেল নিয়ে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি তেল আসছে না। জাহাজের সূচি পিছিয়ে যাচ্ছে। এ মাসেই ডিজেল নিয়ে আরও ৪টি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। ভারত থেকেও পাইপলাইনে নিয়মিত ডিজেল আসছে। বিকল্প উৎস থেকে তিন লাখ টন ডিজেল আমদানি করতে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তাই আপাতত ডিজেল নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা আছে।



