৫. ঈদগাহে যাওয়ার আগে খাওয়া: ঈদুল ফিতরে নামাজে যাওয়ার আগে বিজোড়সংখ্যক (১, ৩ বা ৫টি) খেজুর বা অন্য কোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া বিশেষ সুন্নাত। এটি মূলত রোজা শেষ হওয়ার ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন।
আনাস (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন বিজোড়সংখ্যক খেজুর না খেয়ে ঘর থেকে বের হতেন না। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৫৩)
৬. ফিতরা আদায়: নামাজের আগেই ফিতরা আদায় করা জরুরি। এর মাধ্যমে রোজার ত্রুটিবিচ্যুতি দূর হয় এবং অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটে।
নামাজের পরে দিলে তা সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হবে। (আবু দাউদ, হাদিস: ১৬০৯)
৭. পথ পরিবর্তন ও হেঁটে যাওয়া: এক পথ দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া এবং ভিন্ন পথ দিয়ে ফেরা সুন্নাত। এর ফলে অধিক মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয় এবং সওয়াবও বাড়ে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৮৬)
সম্ভব হলে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া উত্তম।
৮. প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া ইসলামের নির্দেশ।
সুরা নিসার ৩৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে সদাচরণের তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া অনাথ-ইয়াতিমদের খাবার খাওয়ানো ও নতুন কাপড়ের ব্যবস্থা করা ইমানদারের বৈশিষ্ট্য।
৯. পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়: ঈদের দিনে হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করা ইমানের সৌন্দর্য। সাহাবিরা পরস্পরকে বলতেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকা’ (আল্লাহ আমাদের ও আপনার নেক কাজগুলো কবুল করুন)।



