বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তাফা কে মুজেরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আমাদের প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস। তাই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানকারী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে হবে সরকারকে। সেখানে তাদের কোনো সহায়তা প্রয়োজন হলে দিতে হবে। এতে তারা স্বস্তি বোধ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই যুদ্ধ শেষ হলেই দেশগুলো পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। তখন বাড়তি শ্রমিক প্রয়োজন হবে। আমরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারি।’
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত মুদ্রার হার–সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানেও ডলারের দাম বেড়ে গেছে। ৩ মার্চ ডলারের গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা, মঙ্গলবার তা বেড়ে হয় ১২২ টাকা ৫৮ পয়সা। আর সর্বশেষ বৃহস্পতিবার তা আরও বেড়ে হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে প্রথম আলোকে বলেন, ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি বাড়বে না—এমন বার্তা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে সেটা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আমদানি দায় মেটানোর চাপ ও সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়বেই। তখন রিজার্ভ থেকেও ডলার-সহায়তা দিতে হতে পারে।



